Sunday, August 19, 2012

ফান আনলিমিটেড ২


ফান আনলিমিটেড ২

ফান আনলিমিটেড ১



ফান আনলিমিটেড ১ এর জোকস গুলো আপনাদের ভালো লাগায় আবারো হাজির হলাম আপনাদের মাঝে

তবে বলে রা্খছি এ জোকস গুলো facebook  থেকে collect  করা

এ জোকস গুলো অনেকের আগে থেকে পড়া থাকলেও আবার মজা লুটেন

১.বাচ্চাদের স্কুলের টিচার মিস তানিয়া একদিন ছুটির পর ছোট্ট বাবুকে দাঁড় করালেন।
‘এক মিনিট দাঁড়াও ছোট্ট বাবু।’ চশমার ওপর দিয়ে চাইলেন তিনি। ‘তোমার হোমওয়র্ক তো খুব খারাপ হচ্ছে ক’দিন ধরে। তোমার কি কোন সমস্যা হচ্ছে?’ছোট্ট বাবু মাথা ঝোঁকালো। ‘জ্বি টিচার। আমি প্রেমে পড়েছি।’মিস তানিয়া মিষ্টি হাসলেন। ‘কার প্রেমে পড়েছো?’‘আপনার, মিস তানিয়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।’‘কিন্তু ছোট্ট বাবু,’ নরম গলায় বললেন মিস তানিয়া, ‘ভেবে দ্যাখো ব্যাপারটা কেমন বোকাটে হবে? নিশ্চয়ই আমি একদিন কাউকে স্বামী হিসেবে চাইবো … কিন্তু আমি তো কোন বাচ্চা চাই না।’‘ভয় পাবেন না মিস।’ আশ্বাস দিলো বাবু। ‘সেক্ষেত্রে আমি প্রটেকশন ব্যবহার করবো।’

২.A guy goes to the supermarket and notices a beautiful blond woman
wave at him and says: "Hello!"
He's rather taken aback, because he can't place where he knows her
from. So he says,: "Do you Know me?"
To which she replies: "I think you're the father of one of my kids."
Now his mind travels back to the only time he has ever been unfaithful
to his wife and says: "My God, are you the stripper from my bachelor
party that got me so excited I had to lay you right there on the pool
table with all my buddies spraying whip cream on us?"
She looks into his eyes and calmly says: "No, actually I'm your son's
maths teacher!"

৩.এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্মহাউজ ছিলো। ফার্মহাউজের পেছনে একটা বড় পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।
একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি।
পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্প বসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে। বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকারি দিলো।
তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলা পানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।
বৃদ্ধ বললো, আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।

৪.আরাম খানের ছোটবেলার কাহিনী। পোলাডা একদিন দেখে এক বড় ভাই একটা মেয়েরে চুমু দিচ্ছে। বাসায় এসে আরাম খান মারে কয়, আম্মা! চুমা দিলে কি হয়? “
ওর মা ত খুব কড়া। সে চায় পোলা ভালা থাকুক। এইসব পাপ যাতে না করে তাই ডর দেখানের লাইগ্যা আরাম খানরে কইল, “ চুমা দেয়ার পর পোলাগুলার শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায়, পরে মাটিত পইরা মইরা যায়। “
আরাম খান কয় সত্যি?

আরাম খান আস্তে আস্তে বড় হয়। যুবক হইলে একদিন এক মাইয়ার সাথে কথা হয়। কথায় কথায় সম্পর্ক হয়। মেয়েটা একদিন আরাম খানরে চুমা দিতে চায়। আরাম মানা করে।
আমার আম্মা কইছে মেয়েদের চুমা দিলে আমি মারা যামু।
বোকা! আসো। বলে মেয়েটা এগিয়ে একটা চুমা দিল। চুমা শেষ না করতেই করতেই আরাম খান, আম্মা ঠিকই কইছিল বলে মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দেয়া শুরু করছে।
কি হইছে?
আল্লাহ রে। আমি পাত্থর হইয়া মইরা যামু। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে।

৫.কোনো এক পশ্চিমী দেশে এক ভদ্রমহিলার তিন-তিনটি অবিবাহিতা মেয়ে।
অনেকদিন চেষ্টা করেও কিছু না হওয়ার পরে হঠাৎ করেই তিন মেয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের ঠিক হয়ে গেলো।ভদ্রমহিলা মেয়েদের দাম্পত্যজীবন (?) নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলেন।তো তিনি মেয়েদের বললেন যে প্রত্যেকে যেনো হানিমুন থেকে অল্প কথায় কিছু লিখে তাকে পোস্টকার্ড পাঠায়।যাতে তিনি বুঝতে পারেন যে মেয়েদের হানিমুন কেমন চলছে।
বিয়ের দু'দিন পরে প্রথম মেয়ে হাওয়াই থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে শুধু লেখা - "Nescafe"!!!!
প্রথমে বেশ অবাক হলেও,কিছুক্ষন বাদে তিনি কিচেনে গিয়ে Nescafe - এর জার বের করলেন।দেখলেন তার গায়ে লেখা - "Good till the last drop"....
তিনি একটু লজ্জা পেলেও,মেয়ের খবরে আনন্দ পেলেন।
বিয়ের এক হপ্তা পরে পরের মেয়েটি ভারমন্ট থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল।তাতে লেখা - "Rothmans"!!!!
এবার তিনি আর ঘাবড়ালেন না। একটা Rothmans এর প্যাকেট নিয়ে দেখলেন তাতে লেখা - "Extra Long. King Size"....।
আবার তিনি একটু লজ্জা পেলেও, আনন্দিত হলেন।
সবচেয়ে ছোটো মেয়েটি গেছিল কেপ-টাউন।তার চিঠি কিছুতেই আসে না।এক মাসের শেষে তার চিঠি এল।তাতে খুব কাঁপা-কাঁপা হাতে লেখা - "South African Airways"!!!!
ভদ্রমহিলা জল্দী লেটেস্ট একটা ম্যাগাজিন বের করে South African Airways -এর এডটা দেখলেন।দেখামাত্র তিনি সেন্সলেস হয়ে পড়লেন।
এডটার নিচে লেখা - "Ten times a day, seven days a week, both ways"!!!!!!!!

৬.ডিক একটি বারে ঢুকলো ড্রিংস্ করার জন্য। একটি মার্টিনি অর্ডার করলো সে। এবং বারটেন্ডারের কাছে তার দামও জানতে চাইলো। বারটেন্ডার বললো এর দাম ২ ডলার।
এটা শুনে ডিক চমকে উঠলো। কারণ অন্যবারে এর দাম কমপক্ষে ২০ ডলার হবে। খুশি মনে সে মার্টিনি শেষ করে রেড ওয়াইনের দাম জানতে চাইলো। এক বোতল রেড ওয়াইন অন্য জায়গায় ৫০ ডলারের কমে পাওয়া যায় না।
কিন্তু বারটেন্ডার জানালো এক বোতল রেড ওয়াইনের দাম এখানে ৫ ডলার!
শুনে ডিক বলে উঠলো, "বলো কি! এত্ত কমে? বারের মালিক কোথায়?"
বারটেন্ডার: "সে উপরের তলায় আমার বৌ এর সাথে আছে।"
ডিক: "বারের মালিক তোমার বৌ এর সাথে কি করে?"
বারটেন্ডার: "আমি ওর ব্যাবসার সাথে যা করতেছি, তাই করে!

৭.এক চার্চে পাদ্রি নির্বাচন করা হচ্ছে । মিস্টার জন নির্বাচক , তিনি ঠিক করলেন যে সবচেয়ে পার্থিব ভোগের উর্ধে তাকেই নেয়া হবে । ৩জন পার্থি আবেদন করল । এখন ৩ জনেরই বিশেষ অঙ্গে ঘন্টা লাগানো হল যাতে ওই জিনিস দাড়ালে ঘন্টা বেজে
উঠে । এইবার তিনজনের সামনে এক সুন্দরীকে এনে প্রথমে বুকের কাপড় খুলে ফেলা হল , একজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং সে বাদ পড়ল , এইবার সুন্দরীর নিচের কাপড় খুলে ফেলা হল । আরেকজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং বাদ পড়ল , রইল বাকী এক , নির্বাচক মিস্টার জন বললেন তার মানে আমরা আমাদের পাদ্রি পেয়ে গেছি , তুমি সমস্ত ভোগ-কাম-লালসা এর উর্ধে ...... এইসব বলতে বলতে তাকে জড়িয়ে ধরলেন , সাথে সাথে ঘন্টা বেজে উঠল ।
যারা জোকস টি বুঝেন নাই তাদের উদ্দেশ্যেঃ "৩য় জন গে আছিলো"

৮.আরাম খান আর তার স্ত্রী গেছেন চিড়িয়াখানায়, ঘুরতে ঘুরতে তারা গিয়ে দাড়ালেন এক গরিলার খাচার সামনে, চারিদিকে নির্জনতা দেখে কি মনে করে যেন আরাম খান তার স্ত্রীকে বললেন, তুমি আমাকে যেভাবে উত্তেজিত কর, গরিলাটা কে ওভাবে করো না।
আরাম খান এর স্ত্রী আস্তে আস্তে তার টপস খুলে ফেললেন। গরিলা উত্তেজিত হয়ে পড়লো।
আরাম খান বললেন, আরও উত্তেজিত কর তারপর দেখো কি হয়। স্ত্রী এবার নিচেরটাও খুলে ফেললেন। গরিলা এবার উত্তেজিত হয়ে কাপতে লাগলো।
আরাম খান জানতেন যে খাচার দরজায় তালা ছিল না। আরাম খান দরজা খুলে তার স্ত্রীকে খাচার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলেন আর স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বললেনঃ “এবার গরিলাটাকে বল যে তোমার মাথা ব্যথা করছে। তোমার এখন মুড নাই”

৯.এক লোক পার্টি দিয়ে তার বন্ধুদের বললো, আমার সুইমিং পুলটা জাদুর। সুইমিং পুলে নেমে যে তরল পদার্থের নাম করবে পুরো পুলের পানি সেই পদার্থ হয়ে যাবে।
তার এক বাঙালি বন্ধু পুলে নেমে বললো, কোক। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি কোকে পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে কোক খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক রাশিয়ান বন্ধু নেমে বললো, ভদকা। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি ভদকায় পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে ভদকা খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক আমেরিকান বন্ধু ঝাঁপ দিতেই বাঙালিটি তাকে মনে করিয়ে দিলো, আরে, তোমার পকেটে তো মোবাইল ফোনটা রয়ে গেছে।
আমেরিকান বললো, শিট!

১০.জরিনার বাবা জরিনার জন্য পাত্র ঠিক করেছে। এদিকে জরিনার সাথে পাভেলের ৫ বছরের অফেয়ার। এটা বাবাকে জানাতেই জরিনার সুইট বাবা নিমিষেই টিপিক্যালি #বাবা কেন ভিলেন?# টাইপ আচরণ শুরু করল। এটা নিয়ে বাবা মেয়েতে তুমুল ঝগড়া। খাওয়া বন্ধ, মুখ দেখাদেখি বন্ধ ইত্যাদি মোটামুটি শেষ হবার পর অবশেষে তারা একটা ঐক্যমতে পৌছাল। ঠিক হল নদীর অপরপাড় থেকে পাভেল ও বাবার ঠিক করা পাত্র দুজনেই সাঁতার কেটে এপারে আসবে। যে আগে আসতে পারবে জরিনা তারই হবে।
যথাসময়ে প্রতিযোগিতা শুরু হল। শুরুতে দেখা গেল বাবার ঠিক করা পাত্রটি এগিয়ে গেছে। জরিনা তো ভয়ে আধমরা কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পাভেল তাকে ধরে ফেলল। জরিনা খুশিতে হাততালি দিচ্ছে আর চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছে পাভেলকে। একপর্যায়ে প্রেমিকের শক্তি আরো বাড়ানো এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য একপর্যায়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তার সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলল।এরপর হঠাৎ করে পাভেলের সাঁতারের গতি বেড়ে গেলেও তা আস্তে আস্তে কমে পাড়ের কাছাকাছি এসে একেবারেই থেমে গেল।বাবার ঠিক করা পাত্রটি জিতে গেল প্রতিযোগিতায়। পরে আনেক কষ্টে পাভেল পাড়ে ওঠার পর জরিনা রেগেমেগে বলল, তোমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এতকিছু করলাম তাও জিততে পারলে না। ছিঃ, কাপুরুষ কোথাকার।
পাভের ও সমান তেজে জবাব দিল সব দোষ তোমার, কে বলেছিল তোমাকে কাপড় খুলতে ? তুমি কাপড় খোলার পরপরইতো আমার প্রাইভেট পার্ট নদীর তলদেশের লতাগুল্মের সাথে আটকে যেতে লাগল।

১১.আরাম খান আর তার স্ত্রী গিয়েছেন তাদের হানিমুনে। বউ যখন এলিভেটরের দিকে রওনা হল, খুব সুন্দর একটি মেয়ে আরাম খান কে জিজ্ঞেস করলেন তার কোন স্পেশাল চাহিদা আছে কিনা, কোনরকম দরকার হলে যেন ডেস্কে তিনি জানাতে না ভুলেন। স্ত্রী দূর থেকে মেয়েটিকে দেখে আর তার কথা শুনে খুবই মুগ্ধ হলেন। এলিভেটরে উঠতে উঠতে বললেন, এই বিদেশীদের হোটেল কত ভাল, ব্যবহার কত ভাল...সবার দিকে কী খেয়াল রাখে! আরাম খান বললেন, আরে না...এই মেয়েটি একটি প্রস্টিটিউট।
স্ত্রী কিছুতেই স্বামীর একথা বিশ্বাস করলেন না। রুমে ঢুকে তিনি স্বামীকে, প্রমাণ করতে বললেন। আরাম খান বললেন, আচ্ছা ঠিকাছে। আমি ডেস্কে ফোন করে মেয়েটিকে পাঠাতে বলছি...তুমি লুকিয়ে থাক।
মেয়েটি রুমে এসেই আরাম খানকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কী চান। আরাম খান ঘাঘু লোক...সরাসরি বললেন, তিনি খুব একা বোধ করছেন, তার সঙ্গী চাই। মেয়েটি বলল, আমার একরাতের চার্জ ১৫০ ডলার। আরাম খান বললেন, অনেক বেশি চাইছ। আমি ২৫ ডলার পর্যন্ত দিতে পারি। মেয়েটি অপমানিত বোধ করে চলে গেল।
বউ অবাক হলেন; স্বামীর বুদ্ধিমত্তায় আকৃষ্ট হয়ে তিনি স্বামীকে সোহাগে-আদরে ভরিয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর, তারা গেলেন হোটেলের নীচতলায় ডিনার করতে। তারা ডিনার করে রুমে ফেরত যাচ্ছেন, এমন সময় আবার সেই মেয়েটির সাথে দেখা। মেয়েটি দেখেই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে আরাম খানকে বললেন, দেখ ২৫ ডলারে তোমার কী জুটেছে!

১২.ডাইনোসর তার বউকে:চলো আজকে একদান হয়ে যাক......
ডাইনোসর বউ: নাহ্ আজকে মুড নাই....
.
.
.
.
.
.
.
.
আর এভাবেই ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে যায়

 

No comments:

Post a Comment